দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার এবং নানা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা ও তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত।
সাবেক কমিশনার জহুরুল হক দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন এবং তা বিদেশে পাচার করেছেন। তাঁর মেয়ে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন। সাবেক কমিশনার আছিয়া বেগমের স্বামী ও অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ করেছেন। জহুরুল হক স্বামী-স্ত্রীর নামে একাধিক প্লট বরাদ্দ নেন এবং পরে ১০ কাঠার প্লটের অনুমোদন নেন, যা আইনবিরোধী। দুদকে অতিরিক্ত গাড়ি বরাদ্দ নিয়ে অনিয়ম করেন।
আছিয়া বেগম প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ রাখার অভিযোগে অভিযুক্ত। দুদক উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান এবং সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ঘুষের বিনিময়ে দুর্নীতিবাজদের ছাড় দেন।
বিরোধী দল বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে তাদের রাজনৈতিকভাবে দমনের অভিযোগ রয়েছে।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান থাকাকালীন জহুরুল হকের বিরুদ্ধে বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও মোবাইল কোম্পানির সঙ্গে জালিয়াতির অভিযোগ উঠে।
দুদক তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সাবেক কমিশনারদের দুর্নীতি তদন্তে নেমেছে। জহুরুল হকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্তে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে।
সদ্যসাবেক দুদক কর্মকর্তাদের দুর্নীতির ঘটনা তদন্ত করে শাস্তির আওতায় আনা না গেলে প্রতিষ্ঠানটির বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
0 মন্তব্যসমূহ